মুহাম্মদ মিজান বিন তাহের,
বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ
চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার গন্ডামারা ইউনিয়নের পশ্চিম বড়ঘোনা এলাকায় র্যাবের সাথে বন্দুক যুদ্ধে মো: আলমগীর (৪৫) নামে এক ডাকাত নিহত হয়েছে। নিহত ডাকাত একই ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের কাশেম বলির বাড়ি এলাকার মৃত আলী আহমদের পুত্র।
বুধবার (১৩ অক্টোবর) গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই গন্ডামারা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে র্যাব।
এ সময় র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে ওই ডাকাত গুলি বর্ষন করলে র্যাবও পাল্টা গুলি বিনিময় করে।
এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায় সে। ঘটনাস্থল হতে ৪টি আগ্নেয়াস্ত্র, ২টি রামদা, ১টি ছুরি, ১১ রাউন্ড কার্তুজ ও ২ রাউন্ড গুলির খোসা জব্দ করা হয়েছে।
পরে ঘটনাস্থলে বাঁশখালী থানা পুলিশ গিয়ে নিহত ডাকাতের লাশ থানায় নিয়ে আসে এবং ময়না তদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করে।
নিহত আলমগীরের নামে বাঁশখালীসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন থানায় ডাকাতির অভিযোগে ৯টি মামলা আছে বলেও জানিয়েছে র্যাব।
র্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) মো. নুরুল আবছার বলেন, গন্ডামারা ইউনিয়নের পশ্চিম বড়ঘোনা এলাকায় অভিযানে গেলে আমাদের সদস্যদের উপর গুলি চালায় ডাকাতেরা। ওইসময় আত্মরক্ষার্থে আমাদের সদস্যরাও গুলি চালালে একজন নিহত হন। পরে লাশ উদ্ধার হলে সেটি আলমগীরের বলে শনাক্ত হয়। তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় নয়টি মামলা আছে।
উল্লেখ যে, গত ১৯ সেপ্টেম্বর ২১ ইং তারিখে বাঁশখালী উপজেলাধীন গন্ডামারা ইউনিয়নের ০৪নং ওয়ার্ডের পশ্চিম বড়ঘোনা এলাকায় র্যাব-৭, চট্টগ্রাম এর বিশেষ এক অভিযান পরিচালনা করে আলমের ছেলে লোকমান হাকিমকে(২০) গ্রেফতার করে থানায় হস্তান্তর করা হয়। তবে আলমগীর প্রকাশ আলম ডাকাত র্যাব সদস্যদের আহত করে পলাতক ছিল।