শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬
সদ্য সংবাদ
৮ নভেম্বর আগ্রাবাদ শাহ্ মজিদিয়া ইসলামী কমপ্লেক্সের মাসিক ত্বরিকত বৈঠকশিক্ষকতা ও মানবিক জীবনদর্শনে কবি কুতুবউদ্দিন বখতেয়ারআসামে ১১০০ বাঙালি মুসলিম পরিবার উচ্ছেদ সম্মিলিত মুসলিম কণ্ঠের প্রতিবাদস্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে জাপানি ফাউন্ডেশনের প্রতি জুবাইদার আহ্বানগ্রীন চট্টগ্রাম গড়তে ১০ লক্ষ গাছ লাগানোর লক্ষ্য পূরণ করতে হবে: প্রশাসক ডা. শাহাদাত১০৭ জনের হাতে মোবাইল তুলে দিল চট্টগ্রাম জেলা পুলিশসাগর-রুনি হত্যা: জিয়াউল আহসান ও রোকেয়া প্রাচীর সংশ্লিষ্টতার তথ্যডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১১ মৃত্যু
অপরাধ জাতীয়

বিমানবন্দরে ৬ কোটি বিদেশি মুদ্রা জব্দ

0525
শেয়ার করুন:

ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি লাগেজ থেকে ৬ কোটি টাকা সমমূল্যের সৌদি রিয়াল জব্দ করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর এবং ঢাকা কাস্টম হাউসের একটি যৌথ টিম। উদ্ধার হওয়া লাগেজের মালিক মামুন নামে এক যাত্রী। তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের গোয়েন্দা এবং তদন্ত অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আহমেদুর রেজা চৌধুরী বিষয়টি গণমাধ্যমের কাছে নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে বুধবার (২৯ জুন) রাতে দুবাই থেকে আগত মামুন নামের ওই যাত্রীর লাগেজ থেকে ৬ কোটি সমমূল্যের ওই সৌদি রিয়াল উদ্ধার করা হয়। লাগেজ ভর্তি এতো অর্থ উদ্ধার হলেও তার মালিককে খুঁজে পায়নি যৌথ টিম।

আহমেদুর রেজা জানান, বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের চেক ইন করা হচ্ছিল। সে সময় ফ্লাইটের প্যাসেঞ্জার’স হোল্ড ব্যাগেজ স্ক্রিনিং রুমের স্ক্যানিং মেশিনে লাগেজটি স্ক্যান করা হলে মুদ্রাসদৃশ কিছু বস্তুর অস্তিত্ব পাওয়া যায়। অনেক খুঁজেও লাগেজটির মালিককে পাওয়া যায়নি আর। বিমানবন্দরে দায়িত্বে থাকা বিভিন্ন সংস্থা ও এভিয়েশন সিকিউরিটির উপস্থিতিতে কাস্টমস হলে এনে লাগেজটি খোলা হয়। ওই লাগেজের ভেতরে থাকা ৩৪টি শার্টের মাঝে কাগজের বোর্ডের সাহায্যে কাগুজে মুদ্রাগুলো বিশেষ কায়দায় লুকানো ছিল।

তিনি আরও জানান, তাতক্ষনিকভাবে ওই যাত্রীকে খুঁজে না পাওয়া গেলেও লাগেজের সাথে থাকা ট্যাগ থেকে এমিরেটস কাউন্টার, ইমিগ্রেশন ও এভিয়েশন সিকিউরিটির সহায়তায় যাত্রীর বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়। সেখান থেকেই জানা যায়, বুধবার রাতে যাত্রী মামুন খান এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে দুবাই যাওয়ার জন্য চেক ইন করেন। তবে ইমিগ্রেশন কমপ্লিট না করেই এয়ারপোর্ট থেকে চলে যান। এই বিষয়ে অধিকতর তদন্ত চলমান রয়েছে।

শুল্ক গোয়েন্দার এই কর্মকর্তা জানান, মামুন নামের ওই যাত্রীর বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় একটি ফৌজদারি মামলাও দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া কাস্টমস অ্যাক্ট ও বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থাও নেয়া হবে।
সি-তাজ২৪.কম/এস.টি

Powered by Done 5 Technologies