বাঁশখালীর রামদাশ মুন্সিরহাট বাজার সংলগ্ন নুরজাহান কনভেনশন হলে ১১ নভেম্বর জুমাবার সকাল দশটায় দরবারে গারাংগিয়া যিকির মাহফিল পরিচালনা কমিটি বাঁশখালী শাখার উদ্যোগে বার্ষিক ৬ষ্ঠ মিলাদুন্নবী (স.), মাসিক যিকির ও ইছালে সাওয়াব মাহফিল-২০২২ অনুষ্ঠিত হয়। মাহফিলের বিভিন্ন অধিবেশনে সভাপতিত্বে করেন খলিফায়ে গারাংগিয়া আলহাজ্ব শাহ মাওলানা আহমদ নজির, শাহ সুফি মাওলানা ইসহাক হুজুর হযরত আলহাজ্ব শাহ মাওলানা আব্দুল হক হক্কানী, হযরত মাওলানা শাহ্ আবুল হাশেম।
মাওলানা মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম আল নজির, মাওলানা মো. জাহাঙ্গীর আলম, মুহাম্মদ জুনাইদুল ইসলাম হেলাল’র যৌথ পরিচালনায় মাহফিলে প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহ মজিদিয়া ইসলামী কমপ্লেক্স ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাদা মাওলানা মহিউদ্দিন মজিদী, বাঁশখালী ইলশা বকসী হামিদ কমপ্লেক্স এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক শাহসুফি আলহাজ্ব মাওলানা হাফেজ আব্দুল মজিদ। সকাল ১০টায় মাওলানা আনোয়ারুল আজিম গাজীর পরিচালনায় খতমে কুরআন, খতমে খাজেগান ও ইছালে সাওয়াব মাধ্যমে আরম্ভ হয় এতে প্রধান মেহমান হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শাহজাদা মাওলানা আবু রাশেদ মহিউদ্দীন ছিদ্দিকী।মাহফিলে আলোচনা করেন আলহাজ্ব শাহ মাওলানা ইউসুফ বিন নুরী, সফিউল হক জেহাদী, ড. আলহাজ্ব মাওলানা এনামুল হক মুজাদ্দেদী, আলহাজ্ব মাওলানা আব্দুল জব্বার, কারী মাওলানা হারুনুর রশিদ নুরী, আলহাজ্ব শাহ্ মাওলানা হাফেজ নুর হোসেন, বিশেষ ওয়ায়েজেন মাওলানা মমতাজুল হক নঈমী, মাওলানা শাহাব উদ্দীন,আলহাজ্ব মাওলানা আজিজুল ইসলাম, আলহাজ্ব মাওলানা তৈয়ব আলী মজিদী,
আলহাজ্ব শেখ মাওলানা নুর মোহাম্মদ ছিদ্দিকী, আলহাজ্ব হাফেজ মাওলানা শাহ আলম। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব মাওলানা মুহাম্মদ তৈয়ব ফারুকী। বিভিন্ন অধিবেশনে অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব ডাক্তার ফররুখ আহমদ, হযরত মাওলানা আমিনুল ইসলাম, হযরত মাওলানা ইউসুফ ফারুকী, আলহাজ্ব শাহসুফি মাওলানা হাফেজ আব্দুল মজিদ, আলহাজ্ব এস.এম.মহিউদ্দিন, এডভোকেট আ.ন.ম শাহাদত আলম, কুরআন তেলাওয়াত করেন আব্দুল মাবুদ জিহান, আব্দুল মাজেদ, কারী কবির আহমদ, হাফেজ আহমদ রেফায়ী নোমান, নাতে রাসুল (সা.) পরিবেশন করেন হাফেজ আব্দুল আহাদ, হাফেজ আব্দুল মান্নান, মাওলানা আব্দুল মজিদ, শায়ের আব্দুস শাকুর।
মাহফিলে বক্তারা বলেন, তাকওয়া বা আল্লাহভীতি অর্জনের প্রধান উপায় হলো আত্মশুদ্ধি। আত্মশুদ্ধি হলো অন্তর সংশোধন, খাঁটি করা, পাপমুক্ত করা, কলুষমুক্ত করা। আল্লাহতায়ালার স্মরণ, আনুগত্য ও ইবাদত ব্যতীত অন্যসব অন্যায় কাজ থেকে অন্তর পবিত্র রাখাকে আত্মশুদ্ধি বলা যায়। মানুষের আত্মিক প্রশান্তি, উন্নতি ও বিকাশ সাধনের জন্যও আত্মশুদ্ধির প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। আত্মশুদ্ধি মানুষকে বিকশিত করে। মহান আল্লাহতায়ালা পবিত্র কোরআনে উল্লেখ করেন, ‘নিশ্চয়ই যে ব্যক্তি আত্মাকে পুতপবিত্র রাখল সেই সফলকাম হবে, আর সে ব্যক্তিই ব্যর্থ হবে, যে নিজেকে কলুষিত করবে। আল্লাহতায়ালা যা কিছু হারাম করেছেন, সেগুলোকে বর্জন করা এবং যা কিছু ফরজ করেছেন সেগুলোকে পালন করার নামই তাকওয়া, যাবতীয় গুনার কাজ থেকে নফসকে হেফাজত করার নামই তাকওয়া।
সি-তাজ২৪.কম/এস.টি