অনলাইন ডেস্ক: সামনের দিনগুলোকে দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও চ্যালেঞ্জিং উল্লেখ করে সরকার পরিচালনায় দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সর্বাত্মক সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রোববার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের সামনে কঠিন সময় অপেক্ষা করছে। এই সময় দায়িত্বশীলভাবে কাজ না করলে ক্ষতি হবে দেশের এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের। তিনি নেতাকর্মীদের সংগঠনকে শক্তিশালী রাখা এবং সরকারের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
তারেক রহমান বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকার বদ্ধপরিকর। বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে যে প্রতিশ্রুতিগুলো দেওয়া হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
তিনি আরও বলেন, সরকারের সাফল্য শুধু প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী বা সংসদ সদস্যদের পরিশ্রমের ওপর নির্ভর করে না; দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ সমর্থকদের সহযোগিতাও সমানভাবে প্রয়োজন। সংগঠনকে সুশৃঙ্খল ও সক্রিয় রাখার মাধ্যমে সরকারকে শক্তিশালী সহায়তা দেওয়া সম্ভব।
নির্বাচনি ইশতেহারের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা, শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে সরকার কাজ করছে। একই সঙ্গে নতুন শিল্প খাত গড়ে তোলা এবং বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠান চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে।
জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও রাষ্ট্র পরিচালনার দর্শন বর্তমান সরকারের নীতিনির্ধারণে প্রভাব ফেলছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণের দেওয়া রায়ের প্রতি সম্মান জানিয়ে সরকার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করে যাবে।
অনুষ্ঠানে জিয়াউর রহমানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
/এস.টি