মূল সংবাদে ফিরুন

Ctaj24.com

Latest Bangla news from chittagong

Ctaj24.com প্রিন্ট সংস্করণ ·

জায়হানকে খুঁজে বেড়িয়েছিল খুনিরাই, বাবা-মাকে দিয়েছিল সান্ত্বনা

প্রকাশ:
জাহানকে,বাবা-মাকে দিয়েছিল সান্ত্বনা

নিউজ ডেস্ক: চট্টগ্রামের পটিয়ায় পাঁচ বছরের শিশু জায়হান হত্যাকাণ্ডে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। যে প্রতিবেশীরা নিখোঁজ শিশুটিকে খুঁজতে পরিবারের সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে ছুটেছেন, সান্ত্বনা দিয়েছেন বাবা-মাকে, শেষ পর্যন্ত তারাই হত্যার ঘটনায় জড়িত বলে পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে।

গত মঙ্গলবার দুপুরে নিখোঁজ হয় পটিয়া পৌরসভার দক্ষিণ গোবিন্দারখীল এলাকার শিশু জায়হান। দুই দিন ধরে সন্তানকে খুঁজতে মরিয়া হয়ে ওঠেন তার বাবা-মা। আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী ও স্থানীয়দের নিয়ে বাড়ির আশপাশ, পুকুর, ঝোপঝাড়সহ সম্ভাব্য সব স্থানে চলে তল্লাশি।

স্বজনদের দাবি, অভিযুক্ত প্রতিবেশী সাইফুদ্দিনও সেই খোঁজাখুঁজিতে অংশ নেন। এমনকি জায়হানের বাবার পাশে বসে তাকে সান্ত্বনা দেন এবং ধৈর্য ধরার পরামর্শও দেন। এতে পরিবারের কারও মনে সন্দেহের উদ্রেক হয়নি।

এদিকে নিখোঁজের পর পরিবারের ঘরে পাওয়া যায় মুক্তিপণের একটি চিরকূট। সেই চিরকূটের সূত্র ধরেই তদন্তে অগ্রগতি আসে। পুলিশ একটি বাড়িতে একই ধরনের প্যাড এবং চিরকূট লেখার খসড়া উদ্ধার করে। পরে হাতের লেখা যাচাই করে তদন্তকারীরা সাদিয়া সুলতানা নিহার লেখার সঙ্গে চিরকূটের মিল খুঁজে পান।

জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে নিহা মুক্তিপণের চিরকূট লেখার কথা স্বীকার করেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড়ির পেছনের ময়লার স্তূপ থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার করা হয় শিশু জায়হানের মরদেহ। আরও পড়ুন: পটিয়ায় অপহৃত শিশুর বস্তাবন্দি লাশ, গ্রেপ্তার ৫

জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম জানান, ছোট ছোট আলামত ও হাতের লেখার মিল থেকেই তদন্তকারীরা মূল সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করতে সক্ষম হন। পরে পুরো হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটিত হয়।

এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাদিয়া সুলতানা নিহা, তার বাবা সাইফুদ্দিন ও মা শানু আক্তারকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ বলছে, হত্যার পেছনের উদ্দেশ্য ও অন্যান্য সংশ্লিষ্টতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সিতাজ/এস.টি

Powered by Done 5 Technologies