Take a fresh look at your lifestyle.

শিগগির পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি আলোচনা কে

0

সিতাজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে তার পদত্যাগের সম্ভাবনার কথা বলা হলেও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত বঙ্গভবন কিংবা সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

সূত্রগুলোর দাবি, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যগত কারণ উল্লেখ করা হতে পারে। তবে এ তথ্যের স্বাধীনভাবে কোনো সরকারি নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।

বিভিন্ন সূত্রে কী বলা হচ্ছে?

রাজনৈতিক অঙ্গনের একাধিক সূত্রের দাবি, রাষ্ট্রপতির ভবিষ্যৎ দায়িত্ব নিয়ে উচ্চপর্যায়ে আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে কয়েকজন ব্যক্তির নাম রাজনৈতিক মহলে আলোচিত হচ্ছে। তবে এসব নামের বিষয়ে সরকার বা সংশ্লিষ্ট কোনো কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।

এদিকে রাষ্ট্রপতি পদে আলোচনায় থাকা ব্যক্তিদের একজন হিসেবে যাঁর নাম বিভিন্ন মাধ্যমে এসেছে, তিনি নিজেও এ বিষয়ে অবগত নন বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন।

বঙ্গভবনের অবস্থান

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়ে শনিবার পর্যন্ত বঙ্গভবনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য প্রকাশ করা হয়নি। ফলে বিষয়টি এখনো রাজনৈতিক আলোচনা ও বিভিন্ন সূত্রের তথ্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে।

সংবিধানে কী বলা আছে?

বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি স্পিকারের উদ্দেশে স্বাক্ষরযুক্ত পত্র দিয়ে পদত্যাগ করতে পারেন।

এছাড়া সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে অথবা অসুস্থতা, অনুপস্থিতি বা অন্য কোনো কারণে দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, পদ শূন্য হওয়ার পর ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।

বর্তমান রাষ্ট্রপতির দায়িত্বকাল

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। বর্তমান মেয়াদ অনুযায়ী তার দায়িত্ব ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা।

রাষ্ট্রপতির পদ নিয়ে চলমান আলোচনা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে পদত্যাগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা ঘোষণা না আসা পর্যন্ত বিষয়টিকে নিশ্চিত তথ্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। তাই এ বিষয়ে সরকার, বঙ্গভবন কিংবা নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের অপেক্ষায় রয়েছে রাজনৈতিক মহল।

সিতাজ২৪/এস.টি

Leave A Reply

Your email address will not be published.