G-VV5KW25M6F
Take a fresh look at your lifestyle.

নতুন ইতিহাস তৈরি করতে চায় কানাডা

0

২০২৬ বিশ্বকাপ কানাডার ফুটবল ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর সঙ্গে যৌথ আয়োজক হিসেবে এবারই প্রথম নিজেদের মাটিতে বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজন ও খেলার সুযোগ পেয়েছে উত্তর আমেরিকার দেশটি। টরন্টোতে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে তাদের ঘরের মাঠের অভিযান। কো-হোস্ট হিসেবে এবার টরন্টো ও ভ্যাঙ্কুভারে ম্যাচ খেলবে দলটি।

ফুটবলে কানাডা মূলত আইস হকি শক্তি হিসেবে বেশি পরিচিত। কিন্তু বিশ্বকাপে তাদের ইতিহাস খুবই দুর্বল। ১৯৮৬ সালের পর ২০২২ সালে বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। আর এবার সহ-আয়োজক হিসেবে বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে কানাডা। বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত মাত্র দুইটি গোল করেছে দলটি এবং কখনো গ্রুপ পর্বও পার হতে পারেনি।

এবার ঘরের দর্শকের সামনে সেই ইতিহাস বদলানোর লক্ষ্য নিয়েছে কানাডা। দলটির সাবেক কোচ স্টিফেন হার্ট মনে করেন, বর্তমান স্কোয়াডে সেই সক্ষমতা আছে। তার মতে, ইউরোপের শীর্ষ লিগ ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলা অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের কারণে দলটি আরও শক্তিশালী হয়েছে।

বর্তমান কানাডা দলে খেলছেন জুভেন্টাস, বায়ার্ন মিউনিখ, পোর্তো ও মার্সেইয়ের মতো ক্লাবের ফুটবলাররা। কোচ জেসি মার্শ একটি বৈচিত্র্যপূর্ণ দল গড়ে তুলেছেন, যা দেশের বহুসাংস্কৃতিক পরিচয়কে তুলে ধরে

অধিনায়ক আলফনসো ডেভিস দলের সবচেয়ে বড় তারকা। ২০২২ বিশ্বকাপে তিনি কানাডার প্রথম গোল করেন। তবে ইনজুরির কারণে তিনি প্রথম ম্যাচে নাও খেলতে পারেন।

দলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের মধ্যে আছেন সর্বোচ্চ গোলদাতা জনাথন ডেভিড, তাজন বুকানান এবং অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার রিচি ল্যারিয়া। তাদের পারফরম্যান্সেই নির্ভর করছে দলের সাফল্য।

বিশ্বকাপে প্রথম জয়, প্রথমবার নকআউট পর্বে ওঠা এবং স্বাগতিক হিসেবে স্মরণীয় এক আসর উপহার দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামছে কানাডা।

বিশ্বকাপ ফুৃটবল ২০২৬, খেলার খবর,

Leave A Reply

Your email address will not be published.