দিল্লি বিমানবন্দরে জাহেদ উর রহমানকে নিয়ে বিভ্রান্তি, পরে ছাড়পত্র
সিতাজ সংবাদ: প্রধানমন্ত্রীর তথ্যবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানের দিল্লি সফরের শুরুতেই ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। রোববার বিকেলে ঢাকা থেকে দিল্লি পৌঁছানোর পর ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাকে দীর্ঘ সময় ধরে অতিরিক্ত যাচাই-বাছাইয়ের মধ্যে রাখে।
বিমানবন্দরে বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ তাকে অভ্যর্থনা জানান এবং ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়ায় সহায়তা করেন। তবে ইমিগ্রেশন ডেস্কে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দীর্ঘ সময় ধরে তার তথ্য যাচাই করলেও শুরুতে কোনো ব্যাখ্যা দেননি। পরে জাহেদ উর রহমানের জন্মস্থান, পূর্ববর্তী ভারত সফর এবং অন্যান্য তথ্য সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়। পাশাপাশি তার আঙুলের ছাপ ও আইরিশ স্ক্যানও নেওয়া হয়।
প্রায় ১৫ মিনিটের বেশি সময় ধরে যাচাই প্রক্রিয়া চলার পর তাকে অপেক্ষা করতে বলা হয়। পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে বাংলাদেশের হাইকমিশন ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে।
কূটনৈতিক সূত্রের দাবি, ভারতীয় কর্তৃপক্ষের নথিতে জাহেদ উর রহমানের নাম ওয়াচলিস্ট বা বিশেষ পর্যবেক্ষণ তালিকায় দেখানো হয়েছিল। বিষয়টি জানার পর তিনি ঢাকার সংশ্লিষ্ট মহলের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং একপর্যায়ে দেশে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
তবে পরে ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ জানায়, তার প্রবেশে আর কোনো বাধা নেই এবং প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র সম্পন্ন হয়েছে। এরপরও পুরো ঘটনাকে কেন্দ্র করে কূটনৈতিক মহলে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
ঢাকা ও দিল্লির একাধিক সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, অতীতের কিছু ঘটনার জের ধরে তাকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সিতাজ/এস.টি