লাশ দাফনের ১৬ দিন পর ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর নগরের মুন্সিপাড়ায় কবর থেকে কলেজছাত্রীর লাশ তোলা হয়েছে। পরিবারের দাবি, ধর্ষণের পর মেয়েটিকে হত্যা করা হয়েছে। লাশ উত্তোলনের সময় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিয়া খানম, পরশুরাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু মুসা সরকার উপস্থিত ছিলেন।
পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ৭ জুন ওই কলেজছাত্রীকে ডেকে প্রতিবেশী বান্ধবী তাঁদের বাড়িতে নিয়ে যান। ৮ জুন ওই বান্ধবীর বাড়ির পাশে তরুণীর লাশ পাওয়া যায়। পরে এলাকাবাসী তড়িঘড়ি করে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মেয়েটির লাশ দাফন করেন।
এ ঘটনায় ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতনে হত্যার অভিযোগে তরুণীর মা বাদী হয়ে রংপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৬ জুন মামলা করেন। শুনানি শেষে আদালত তরুণীর লাশ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য নির্দেশ দেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আজ বুধবার দুপুরে কবর থেকে লাশ উত্তোলন করে পুলিশ। ওই মামলায় তরুণীর বান্ধবী, বান্ধবীর ছোট ভাই ও ছোট ভাইয়ের বন্ধু আল-আমিন ওরফে টাইগারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁরা এখন কারাগারে আছেন।
লাশ উত্তোলনের সময় তরুণীর বাবা, মা ও পরিবারের অন্য সদস্যরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। তাঁরা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরশুরাম থানার পরিদর্শক (এসআই) আলতাফ হোসেন বলেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই হত্যার কারণ জানা যাবে। এ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার তিনজনের বিরুদ্ধে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছিল। আদালত তাঁদের জেলগেটে তিন দিন জিজ্ঞাসাবাদ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। আজ জিজ্ঞাসাবাদ শেষ হয়েছে।
সি-তাজ২৪.কম/এস.টি