G-VV5KW25M6F
Take a fresh look at your lifestyle.

ইহকাল ও পরকালের কল্যাণে আলোকিত জীবনের আহ্বান

0

বাঁশখালী পুকুরিয়া ছড়ারকুল শাহ মজিদিয়া ইসলামী কমপ্লেক্স কর্তৃক পরিচালিত শাহ্ মাহমুদিয়া ইসলামী নূরানী কিন্ডারগার্টেন ও দাখিল মাদরাসা, হেফজখানা ও এতিমখানায় হযরত বড় হুজুর (রহ.), ছোট হুজুর (রহ.) ও এলাকার মরহুমদের ইছালে সওয়াব মাহফিল, পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান ও বার্ষিক সভা ৯ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রি. শুক্রবার সকাল ৭টা থেকে কমপ্লেক্স ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়।

কমপ্লেক্সের সভাপতি কে এম নাজিমুল হক সিকদারের সভাপতিত্বে প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড কারিকুলাম বিশেষজ্ঞ ও সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়া ঢাকার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ। উদ্বোধক ছিলেন ১নং পুকুরিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আসহাব উদ্দিন। শাহ মাহমুদিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা ইউসুফ আনচারীর সঞ্চালনায় দস্তারবন্দী করেন দরবারে আলীয়া গারাংগিয়ার শাহজাদা ও সলিমা সিরাজ মহিলা মাদ্রাসার প্রভাষক মাওলানা মহিউদ্দিন মজিদি। প্রধান অতিথি ছিলেন জিরাত শার্ট লি. এর ম্যানেজিং ডাইরেক্টর রাকিব বিন তৌহিদ চৌধুরী।

দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন খলিফায়ে গারাংগিয়া হাফেজ ক্বারী আবদুল মাবুদ। ফাতেহা শরীফ পরিচালনা করেন পালেগ্রাম হাকিমিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা মীর আহমদ আনছারী। মাহফিলে আলোচনা করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামী ষ্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. এনামুল হক মুজাদ্দেদী, বায়তুশ শরফ আদর্শ কামিল মাদ্রসাার উপাধ্যক্ষ মাওলানা আমিনুল ইসলাম, মাওলানা আবদুল জলীল,

মাওলানা মুজ্জাম্মেলুল হক, মাওলানা মুহাম্মদ আতিক উল্লাহ চৌধুরী, মাওলানা ছলিমুল হক চৌধুরী, মাওলানা আবদুল মোকাররম চৌধুরী, মাওলানা এরশাদুল হক, মাওলানা আহমদুর রহমান আনসারী, মাওলানা ওমর ফারুক চৌধুরী, হাফেজ মাওলানা আরিফ বিন নজির।

এতে আরো উপস্থিত ছিলেন সহকারী পুলিশ কমিশনার আবুল কালাম, মুহাম্মদ আবুল বাশার, কে এম নাঈমুল হক সিকদার, নুরুদ্দিন জাহেদ, নাজেম উদ্দিন, সাংবাদিক মো. সোহেল তাজ, অধ্যাপক ডা. এফতেখার উদ্দিন চৌধুরী, হাফেজ মাওলানা এরফানুল হক সিকদার প্রমূখ।

বক্তারা বলেন, এই প্রতিষ্ঠানটি যেন কেবল জ্ঞান অর্জনের একটি স্থান না হয়ে ওঠে, বরং মানুষের আত্মা গঠনের এক পবিত্র মাকতাব হয়ে দাঁড়ায়। এখান থেকে যেন মানুষ দুনিয়ার প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞা, শিষ্টাচার ও ন্যায়বোধ অর্জন করে এবং সেই সঙ্গে আখিরাতের জন্য ঈমান, তাকওয়া ও খোদাভীতির সম্বল সংগ্রহ করতে পারে।

জাগতিক সাফল্য ও পরকালীন মুক্তি উভয়ের পথে চলার শক্তি, সাহস ও সঠিক দিকনির্দেশনা যেন এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমেই লাভ হয় এই গভীর প্রত্যাশা ও দোয়া। ইসলামে যে চাবে সে-ই ইসলামি পণ্ডিত হতে পারবে, কারো কোনো কিছু হতে বাধা নেই।

ইহকাল ও পরকালের কল্যাণে আলোকিত জীবনের আহ্বান। উল্লেখ্য উক্ত মাহফিলে ১৫ জন হাফেজকে পাগড়ি প্রদান করা হয়। মিলাদ ও আখেরী মোনাজাত পরিচালনা করেন খলিফায়ে গারাংগিয়া আলহাজ্ব মাওলানা আহমদ নজীর।

সিতাজ২৪.কম/এসে.টি

Leave A Reply

Your email address will not be published.