G-VV5KW25M6F
Take a fresh look at your lifestyle.

সমস্যা’ জেনেও ব্যবস্থা নেয়নি বিআইডব্লিউটিসি

0

এক মাসের মধ্যে চতুর্থ দফায় পদ্মা সেতুর পিলারে ফেরির ধাক্কা লাগল। গতকাল শুক্রবার সকালে ছোট আকারের ফেরি কাকলি সেতুর ১০ নম্বর পিলারে ধাক্কা দেয়। এতে সেতু, ফেরির যাত্রী ও যানবাহনের তেমন কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। এর আগে তিনবার বহু প্রত্যাশার এই সেতুর পিলারে ফেরির ধাক্কা লাগে।

সকালের এ ঘটনায় সন্ধ্যায় ফেরিটির ভারপ্রাপ্ত মাস্টার মো. বাদল হোসেন ও হুইল সুকানি আবদুর রশিদকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)। সংস্থাটি বলেছে, ঝড়বৃষ্টির সময় সেখানে ফেরি না চালানোর নির্দেশনা দেওয়া হলেও তা মানা হয়নি। তবে পদ্মায় প্রবল স্রোতের মধ্যে সেখানে এই ফেরি চালানো নিরাপদ নয় বলে দুই দিন আগেই কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিলেন মাস্টার বাদল হোসেন।

এক চিঠিতে তিনি লিখেছিলেন, এই ফেরি চেইনের মাধ্যমে (মেকানিক্যাল) নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। প্রবল স্রোতের মধ্যে ফেরিটি যথাযথভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। এতে পদ্মা সেতুর পিলারে ধাক্কা লাগতে পারে। তাই ফেরিটি অন্যত্র স্থানান্তর করা হোক। কিন্তু কর্তৃপক্ষ তা আমলে নেয়নি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন কর্মকর্তা বলেন, মাষ্টার বাদল হোসেনের চিঠি আমলে নিয়ে ফেরি কাকলি এই রুট থেকে সরিয়ে নিলে শুক্রবারের ঘটনা ঘটতো না।

এ বিষয়ে বাদল হোসেন বলেন, ‘আমরা তো নিজেদের সিদ্ধান্তে ফেরি বন্ধ রাখতে পারি না। স্যাররা চালাতে বললে তো চালাতে হবেই। নতুবা চাকরি থাকবে না।’ তিনি জানান, গত বুধবার বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান সৈয়দ মো. তাজুল ইসলাম এই এলাকা পরিদর্শনে এলে ১৫–২০ জন মাষ্টার স্রোতের মধ্যে ফেরি চালানোয় নানা সমস্যা তুলে ধরেন।
সি-তাজ২৪.কম/এস.টি

Leave A Reply

Your email address will not be published.