G-VV5KW25M6F
Take a fresh look at your lifestyle.

কাবুলে আছেন ১৮ বাংলাদেশী, শিগগিরই আনা হবে দেশে

0

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে বর্তমানে ১৮ বাংলাদেশী অবস্থান করছেন। এর মধ্যে ১৬ জনের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়েছে বলে নয়া দিগন্তকে জানিয়েছেন উজবেকিস্তানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. জাহাঙ্গীর আলম।
আফগানিস্তানে বর্তমানে কোনো দূতাবাস না থাকায় দেশটির সাথে বাংলাদেশের কূটনীতিক যোগাযোগ উজবেকিস্তানের বাংলাদেশী দূতাবাসই তদারক করছে।
মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, আফগানিস্তানে বর্তমানে এনজিও সংস্থা ব্র্যাকের ছয়জন কর্মী ও আফগান ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন কোম্পানিতে কাজ করা সাতজন বাংলাদেশী কর্মী রয়েছেন। এছাড়া দেশটির এক স্যুয়ারেজ কোম্পানিতে চাকরিরত দুই বাংলাদেশী রয়েছেন।
অন্যদিকে কাবুলের পুল-ই-চরকি নামের জেলখানায় তিন বাংলাদেশী ছিলেন বলে জানান জাহাঙ্গীর আলম।

সবাইকে শিগগিরই দেশে ফিরিয়ে আনতে তারা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে নয়া দিগন্তকে জানান জাহাঙ্গীর আলম।

তিনি জানান, আফগান ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন কোম্পানিতে কাজ করা সাত বাংলাদেশী হলেন- রাজিব বিন ইসলাম, মো. কামরুজ্জামান, মো. নজরুল ইসলাম, মাসুদ করিম, মো. ইমরান হোসেন, শেখ ফরিদউদ্দিন ও মো. মনিরুল হক।

এদের মধ্যে রাজিব বিন ইসলামের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় তাকে আফগান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জরুরি ভিত্তিতে আবেদন করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে বলেন জানান রাষ্ট্রদূত।

তারা সবাই কাবুলের হাজারি নাজারি এলাকায় নিরাপদে আছেন বলে জানান রাষ্ট্রদূত।

আফগানিস্তানের স্যুয়ারেজ কোম্পানিতে কাজ করা দুই বাংলাদেশী হলেন, মিজানুর রহমান ও রেজাউল করিম।

তারাও বর্তমানে নিরাপদে আছেন বলে জানান মো. জাহাঙ্গীর আলম। তাদের সবাইকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।
অপরদিকে কাবুলে অবস্থান করা ব্র্যাককর্মীরা হলেন, করিম শিকদার, আসাদুজ্জামান, মোহাম্মদ সরফরাজ, কামাল হোসেন, রফিকুল হক মৃধা ও ইউসুফ হোসেন।

জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ব্র্যাককর্মীদের ১৮ তারিখের এক ফ্লাইটে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে আসার চেষ্টা করা হচ্ছে।

অপরদিকে কাবুলের পুল ই চরকি জেলে বন্দী থাকা তিন বাংলাদেশী হলেন মঈন আল মেসবাহ, কাউছার সুলতানা ও ওবায়দুল্লাহ।

জাহাঙ্গীর আলম বলেন, কাবুলে প্রবেশের পর তালেবান পুল ই চরকি জেলখানার নিয়ন্ত্রণ নিলে মঈন আল মেসবাহ জেল থেকে বেরিয়ে এক আফগান পরিবারে আশ্রয় নিয়েছেন।

অপরদিকে কাউছার সুলতানা ও ওবায়দুল্লাহর সাথে এখনো যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

আফগানিস্তানের পরিস্থিতি সম্পর্কে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আফগানিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতিতে সংবাদ সংগ্রহ করা বর্তমানে কঠিন হয়ে যাচ্ছে।

কাবুলের বাইরে অন্য এলাকায় বাংলাদেশী আছে কি-না সে ব্যাপারে নিশ্চিত নন রাষ্ট্রদূত। তবে +৯৯৮-৯৯৯১১৯১০২ এবং +৯৯৮-৯৭৪৪০২২০১ এই দুটি হটলাইন নম্বর চালু করে দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

এদিকে শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এনজিও সংস্থা ব্র্যাক ইন্টারন্যাশনাল জানায়, আফগানিস্তানের কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা পদক্ষেপ নিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘আফগানিস্তানে কর্মরত কর্মীদের ঝুঁকি নিরসন করে তাদের সুরক্ষা এবং নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্র্যাক ইন্টারন্যাশনাল।’

আফগানিস্তানের ১০টি প্রদেশে প্রায় তিন হাজার ব্র্যাককর্মী রয়েছেন। তাদের মধ্যে ১২ জন বাংলাদেশীসহ প্রবাসী ১৪ জনকে নিজ নিজ দেশে ফিরিয়ে নেয়া হচ্ছে।

প্রবাসী কর্মীদের মধ্যে তিনজন বাংলাদেশীসহ ৫ জন ছুটিতে দেশটির বাইরে ছিলেন, তাদের আফগানিস্তান ফিরে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।
বাকি নয়জন বাংলাদেশীর মধ্যে তিনজন বিমানযোগে রওনা দিয়েছেন এবং বাকি ছয়জনের আগামী ২২ তারিখের মধ্যে রওনা দেয়ার কথা বলে জানায় ব্র্যাক।

সি-তাজ২৪.কম/এস.টি

Leave A Reply

Your email address will not be published.