G-VV5KW25M6F
Take a fresh look at your lifestyle.

ছিনতাইয়ের সেই ফোন ও টাকা ফেরত দিলেন অভিযুক্ত ছাত্রলীগ কর্মীরা

0

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এক যুবককে মারধর করে মোবাইল ফোন ও টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টারদা সূর্যসেন হল শাখা ছাত্রলীগের দুই কর্মী। বুধবার এ ঘটনায় শাহবাগ থানায় লিখিত অভিযোগ দেন ভুক্তভোগী যুবক প্রজিত দাস (২৮)।থানায় অভিযোগ দেওয়ার পর অভিযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের শিক্ষার্থী তুষার ও ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের শামীমুল ইসলাম ছিনতাই করা জিনিস ফেরত দিয়েছেন।এ বিষয়ে ভুক্তভোগী প্রজিত দাস সাংবাদিকদের বলেন, অভিযুক্তরা আমার সাথে করা অন্যায় স্বীকার করেছে এবং ভবিষ্যতে এমন কাজ আর করবে না মর্মে ক্ষমা চেয়েছে।তুষারের বাবা-মা ফোন করে কান্নাকাটি করেছে। সে সুইসাইড (আত্মহত্যা) করার হুমকি দিয়েছিল। ছিনতাই হওয়া মোবাইল ও টাকা ফেরত দেওয়ায় মানবিক দিক বিবেচনা করে আমি আপোষ করেছি।তবে লিখিতভাবে ছিনতাইয়ের মোবাইল ফোন ও ১৭ হাজার টাকা ফেরত দিলেও ছিনতাইয়ের ঘটনা অপপ্রচার দাবি করে সাংবাদিকদের দুষছেন অভিযুক্ত তুষার।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত প্রতিবেদন মিথ্যা দাবি করেছেন তিনি।যদিও তার লিখিত আপোষনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, প্রথম পক্ষ অর্থাৎ প্রজিত দাস বুধবার থানায় দ্বিতীয় পক্ষ তুষার ও শামীমুলের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন। নগদ ১৭ হাজার টাকা ও মোবাইল ফোন ফেরত পাওয়ায় প্রজিতের আর কোনো অভিযোগ নেই।একদিকে ছিনতাইয়ের অভিযোগ অস্বীকার অন্যদিকে ছিনতাইয়ের জিনিসপত্র ফেরত দেওয়ার বিষয়ে অভিযুক্ত তুষার বলেন, ‘আমার কাছে দুইটা অপশন ছিল মামলা কাঁধে নিয়ে ঘুরা আর না হয় আপোষ করা।তাই, আমি আপোষ করেছি কিন্তু ছিনতাইয়ের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ‘বক্তব্য জানতে আরেক অভিযুক্ত মো. শামীমুল ইসলামকে কল করা হলে তিনি রিসিভ করেননি।এদিকে আপোষ নামার বাদীর পক্ষে স্বাক্ষী হিসেবে সই করেন সলিমুল্লাহ মুসলিম হল ছাত্রলীগ নেতা মিলন খান এবং অভিযুক্তদের পক্ষে সই করেন সূর্যসেন হল ছাত্রলীগের নেতা শরিফুল আলম।শরিফুল আলম বলেন, অভিযুক্তরা বারবার ক্ষমা চেয়েছে এবং এমন কাজ আর করবে না বলে অঙ্গীকার করেছে। ভুক্তভোগীও বিষয়টি মেনে নিয়েছেন। শাহবাগ থানায় তদন্ত কর্মকর্তার উপস্থিতিতে তারা আপোষনামা করেছে।আমরাও সেখানে উপস্থিত ছিলাম।তবে আপোষনামার কথা জানেন না শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মওদুত হাওলাদার। তিনি বলেন, বাদীর মোবাইল ফোন বন্ধ তাই তার সাথে এখনো কথা বলতে পারিনি। আপোষনামার বিষয়টা আমি জানি না। তারা আমাদের কাছে এখনো আসেনি। হয়ত নিজেরা নিজেরা আপোষ করেছে।
এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী বলেন, আমরা শুনেছি এ অভিযোগের কথা। অভিযোগকারী ক্যাম্পাসের না। তাই আমরা এখনই কিছু বলতে পারছি না৷ তবে প্রশাসন আমাদের কাছে কোনো সহযোগিতা চাইলে আমরা করবো। আর এ অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সি-তাজ২৪.কম/এস.টি

Leave A Reply

Your email address will not be published.