G-VV5KW25M6F
Take a fresh look at your lifestyle.

কাচ্চি ডাইন খেল জরিমানা

0

চট্টগ্রাম নগরীতে খাদ্যের মান ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ অভিযানে কয়েকটি রেস্টুরেন্ট ও খাদ্য প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অভিযানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার বিক্রি এবং খাদ্য সংরক্ষণে অনিয়মের অভিযোগে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার নগরীর বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত বাজার তদারকির অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অংশ নেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা।

অভিযান চলাকালে মোহরা এলাকার একটি মিষ্টির দোকানে গুরুতর অনিয়ম ধরা পড়ে। সেখানে মেয়াদোত্তীর্ণ মিষ্টির গায়ে থাকা পুরোনো মেয়াদের স্টিকার তুলে নতুনভাবে বিক্রির চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটিকে ভোক্তা অধিকার আইনে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

একই এলাকায় অবস্থিত একটি হোটেলেও নানা ধরনের স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া যায়। বাসি বার্গার ও মোগলাই দীর্ঘসময় ডিপ ফ্রিজে সংরক্ষণ করে বিক্রি, মেয়াদোত্তীর্ণ দই রাখা এবং অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাবার সংরক্ষণের দায়ে ওই প্রতিষ্ঠানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

অন্যদিকে আগ্রাবাদ এলাকায় পরিচালিত অভিযানে কয়েকটি জনপ্রিয় রেস্টুরেন্টের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার প্রস্তুত ও সংরক্ষণের দায়ে একটি রেস্টুরেন্টকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একইসঙ্গে পরিচ্ছন্নতার অভাব এবং স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ বজায় না রাখার অভিযোগে কাচ্চি ডাইন নামের একটি রেস্টুরেন্টকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নগরীর বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট, বেকারি ও খাদ্য প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত তদারকি অব্যাহত থাকবে। বিশেষ করে খাদ্য নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলেন, অনেক প্রতিষ্ঠান এখনো খাদ্য সংরক্ষণ ও পরিবেশনের ক্ষেত্রে ন্যূনতম স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে না। মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার বিক্রি কিংবা বাসি খাবার পুনরায় বাজারজাত করা ভোক্তাদের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। তাই এসব অনিয়ম রোধে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বাজার তদারকি জোরদার হলে খাদ্য ব্যবসায়ীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়বে এবং সাধারণ মানুষ নিরাপদ খাবার পাওয়ার ক্ষেত্রে উপকৃত হবে। একইসঙ্গে ভোক্তাদেরও খাবার কেনার আগে মেয়াদ ও পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রামে সাম্প্রতিক সময়ে খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে নানা অভিযোগের প্রেক্ষাপটে এই ধরনের অভিযানকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। জনস্বার্থে ভবিষ্যতেও এমন অভিযান আরও জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

/এস.টি

Leave A Reply

Your email address will not be published.