নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক Tofail Ahmed আর নেই। সোমবার রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন এই বর্ষীয়ান নেতা। নিউমোনিয়াজনিত শ্বাসকষ্ট, হৃদরোগ ও শারীরিক দুর্বলতা নিয়ে গত সেপ্টেম্বর মাসে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার বিকেলে তাঁর মৃত্যু হয়।
তোফায়েল আহমেদ বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের এক পরিচিত ও প্রভাবশালী নাম। ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে তিনি দেশব্যাপী আলোচনায় আসেন। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে অল্প বয়সেই পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং একাধিকবার মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন। তিনি টানা ৯ বার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার বিরল কৃতিত্ব অর্জন করেন।
১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তোফায়েল আহমেদ। তাঁর মৃত্যুতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন মহল তাঁর কর্মময় জীবনের অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছেন।
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
বাংলাদেশের প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক তোফায়েল আহমেদ আর নেই। সোমবার রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন এই বর্ষীয়ান নেতা। নিউমোনিয়াজনিত শ্বাসকষ্ট, হৃদরোগ ও শারীরিক দুর্বলতা নিয়ে গত সেপ্টেম্বর মাসে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার বিকেলে তাঁর মৃত্যু হয়।
তোফায়েল আহমেদ বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের এক পরিচিত ও প্রভাবশালী নাম। ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে তিনি দেশব্যাপী আলোচনায় আসেন। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে অল্প বয়সেই পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং একাধিকবার মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন। তিনি টানা ৯ বার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার বিরল কৃতিত্ব অর্জন করেন।
১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তোফায়েল আহমেদ। তাঁর মৃত্যুতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন মহল তাঁর কর্মময় জীবনের অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছেন।
/এস.টি