চট্টগ্রাম কারাগারে যুবলীগ নেতার মৃত্যু, তদন্তের দাবি পরিবারের
নিজস্ব সংবাদ: চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে যুবলীগের এক নেতার মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার সকালে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত নুরুল আলম কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের সাতকানিয়া উপজেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। এর মাত্র একদিন আগে বিস্ফোরক আইনের একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।
কারা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, কারাগারের আমদানি ওয়ার্ডে থাকা অবস্থায় সকালে হঠাৎ বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট অনুভব করেন নুরুল আলম। দ্রুত তাকে কারা হাসপাতাল থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলেও চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তবে পরিবারের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তার ও মামলার বিষয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। নুরুল আলমের স্বজনদের দাবি, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলায় জড়ানো হয়েছে। তাদের অভিযোগ, স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে তিনি হয়রানির শিকার হয়েছেন।
অন্যদিকে কারা কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার থেকে কারাগারে পাঠানো পর্যন্ত নুরুল আলম সুস্থ ছিলেন এবং তার শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। কারাগারে রাতেও তিনি কোনো শারীরিক অসুস্থতার কথা জানাননি বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।
মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হবে। প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পরই বিষয়টি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
ঘটনার পর এলাকায় নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। পরিবার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছে, আর প্রশাসন বলছে আইনগত প্রক্রিয়া অনুযায়ী সবকিছু খতিয়ে দেখা হবে।
সিতাজ/এস.টি