G-VV5KW25M6F
Take a fresh look at your lifestyle.

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কে নতুন অধ্যায়

করিডর ও বন্দর উন্নয়নে জোর

0

অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাষ্ট্রীয় চীন সফরকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও গভীর করার ঘোষণা এসেছে। দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে কৌশলগত অংশীদারত্ব জোরদার, অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং জনগণের অভিন্ন ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার বিষয়ে একমত হয়েছে ঢাকা ও বেইজিং।

চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল চীনের বেইজিংয়ে গ্রেট হল অব দ্য পিপলে ছবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
চীন সফর শেষে দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ছবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। বৈঠকে চীনের প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশকে চীনের বিশ্বস্ত বন্ধু, সুপ্রতিবেশী এবং গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতি যাই হোক, বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বেইজিং।

সফর শেষে দুই দেশের পক্ষ থেকে ১৪ দফার একটি যৌথ ইশতেহার প্রকাশ করা হয়েছে। এতে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো, প্রযুক্তি, কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং যোগাযোগ খাতে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে কৌশলগত সংলাপ এবং প্রতিরক্ষা বিষয়ে নতুন আলোচনার কাঠামো গড়ে তোলার বিষয়েও সম্মতি হয়েছে।

বৈঠকে আবারও আলোচনায় আসে চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডর গঠনের প্রস্তাব। এই করিডরের মাধ্যমে বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য, যোগাযোগ এবং পরিবহন ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন এবং আঞ্চলিক বাণিজ্যকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে চীনের আগ্রহের কথাও জানানো হয়েছে।

চীন বাংলাদেশের জন্য শূন্য শুল্ক সুবিধা অব্যাহত রাখা, শিল্প ও সরবরাহব্যবস্থা উন্নয়ন, ই-কমার্স সম্প্রসারণ এবং নতুন বিনিয়োগে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। একই সঙ্গে তিস্তা নদী সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে কারিগরি সহযোগিতা দেওয়ার বিষয়েও ইতিবাচক অবস্থান জানিয়েছে বেইজিং।

এছাড়া ব্রিকসে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ এবং সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার অংশীদার হওয়ার আবেদনেও চীনের সমর্থনের কথা যৌথ ঘোষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।

চীন সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশে ফিরেছেন। সরকারের আশা, এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও আঞ্চলিক সংযোগে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।

সিতাজ/এস.টি

Leave A Reply

Your email address will not be published.