অনলাইন ডেস্ক: স্থানীয় সরকার নির্বাচন ধাপে ধাপে আয়োজনের পরিকল্পনা করছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রথমে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ও পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এরপর আয়োজন করা হবে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন।
বৃহস্পতিবার নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানান, উপজেলা পরিষদের নির্বাচন আয়োজনের আগে অবশ্যই ইউপি ও পৌরসভা নির্বাচন শেষ করতে হবে। কারণ উপজেলা পরিষদের সদস্য কাঠামোর সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের সরাসরি সম্পৃক্ততা রয়েছে।
তিনি আরও জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময়সীমা বাড়িয়ে ৩১ জুলাই পর্যন্ত করা হয়েছে। ফলে যেসব নাগরিকের বয়স ওই তারিখের মধ্যে ১৮ বছর পূর্ণ হবে, তারা ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন এবং পরবর্তী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন।
নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে ভোটার তালিকা হালনাগাদ, ভোটকেন্দ্রের প্রয়োজনীয়তা এবং নির্বাচন আয়োজনের সময়সূচি নিয়ে একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করেছেন। কমিশনের আশা, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নতুন ভোটারদের অন্তর্ভুক্ত করার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।
এর আগে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল, আগামী অক্টোবর থেকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের কার্যক্রম শুরু হতে পারে। সম্ভাব্য ভোটগ্রহণের প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ দিন আগে তফসিল ঘোষণা করা হবে।
এদিকে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের প্রস্তাবনা অনুযায়ী, ১ অক্টোবরকে সম্ভাব্য ভোটের তারিখ ধরে প্রস্তুতি চলছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী অক্টোবর থেকে পরবর্তী বছরের মার্চের মধ্যে ধাপে ধাপে স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন সম্পন্ন করতে চায় কমিশন।
সিতাজ/এস.টি