আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মরদেহ শুক্রবার রাজধানী তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় নেওয়া হয়েছে। সেখানে দেশি-বিদেশি অতিথি, ধর্মীয় নেতা, সরকারি কর্মকর্তা ও সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর শনিবার রাষ্ট্রীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
ইরানি রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের ঘোষণা অনুযায়ী, জানাজা ও শোকানুষ্ঠানে লাখো মানুষের অংশগ্রহণের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানকে ঘিরে তেহরানে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় যান চলাচলে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে।
প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, ইরানের জাতীয় পতাকায় মোড়ানো খামেনির কফিন গ্র্যান্ড মোসাল্লায় রাখা হয়েছে। সেখানে শোকাহত মানুষ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। একই সঙ্গে ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে কয়েক দিনব্যাপী শোক কর্মসূচি পালনের প্রস্তুতি চলছে।
ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ দেশবাসীর প্রতি জানাজায় ব্যাপক উপস্থিতির আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি এটিকে দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করেন এবং জাতীয় ঐক্য প্রদর্শনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে খামেনির মরদেহ তেহরানের পর কোম, ইরাকের নাজাফ ও কারবালায় নেওয়া হবে। পরে আগামী ৯ জুলাই উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মাশহাদ শহরের ইমাম রেজা মাজার প্রাঙ্গণে তাকে দাফন করা হবে বলে ইরানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
ইরানি কর্মকর্তাদের ধারণা, কয়েক দিনব্যাপী শোকানুষ্ঠানে এক কোটিরও বেশি মানুষ অংশ নিতে পারেন। এ উপলক্ষে তেহরানসহ কয়েকটি শহরে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা, আংশিক আকাশসীমা নিয়ন্ত্রণ এবং সরকারি ছুটির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
সিতাজ/এস.টি