G-VV5KW25M6F
Take a fresh look at your lifestyle.

ইসকন থেকে বহিষ্কৃত চিন্ময়ের জামিন আবেদন নাকচ করলো হাইকোর্ট

0

চট্টগ্রামে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর করা জামিন আবেদন নাকচ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। এছাড়া পৃথক আরো চারটি মামলায় তাঁর করা জামিন আবেদন আগামীকাল আদেশের জন্য রেখেছেন হাইকোর্ট।

 

আজ রবিবার (১০ মে) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার এবং বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ তার জামিন আবেদন নাকচ করেন।

 

আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলার আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সাইয়েদা শাজিয়া শারমিন, অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাটর্নি জেনারেল মো. হুমায়ুন কবির, আল-আমিন, খোরশেদ আলম সেলিম, মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং মো. মোখলেছুর রহমান।

 

অপরদিকে, চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্যসহ আরো বেশ কয়েকজন আইনজীবী।

 

জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় ইসকন থেকে বহিষ্কৃত চিন্ময় কৃষ্ণকে ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন ২৬ নভেম্বর তাঁকে চট্টগ্রাম আদালতে তোলা হয়।

 

এদিন চিন্ময় দাসের জামিনকে কেন্দ্র করে তাঁর অনুসারীরা আদালত এলাকায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ান। একপর্যায়ে আদালতের বাইরে চট্টগ্রাম আদালতের আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

 

এ ঘটনায় আলিফের বাবা জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন। গত বছরের ১ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার (কোতোয়ালি) মাহফুজুর রহমান মোট ৩৯ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

 

এতে প্রধান আসামি করা হয় চিন্ময় দাসকে। পরে ২৫ আগস্ট চিন্ময়সহ ৩৯ আসামির বিরুদ্ধে বাদীর উপস্থিতিতে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন আদালত। মামলার বাদীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৭ জানুয়ারি আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলা বিচারের জন্য চট্টগ্রামের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।

 

তবে চিন্ময়ের বিরুদ্ধে আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলাসহ আরো ছয়টি মামলা রয়েছে।

 

চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের হাটহাজারীর মেখল এলাকায় জমি দখল, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মারধরের অভিযোগেও মামলা রয়েছে। মামলার বাদী সরকারের ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের পিতা ও সাবেক মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন।

/এস.টি

Leave A Reply

Your email address will not be published.