প্রভাস চক্রবর্ত্তী,বোয়ালখালী: ১লা অক্টোবর শুক্রবার বিনয় বাঁশী১১০ তম জন্মদিন। দিনটি উপলক্ষে বিনয়বাঁশী শিল্পী গোষ্ঠী নেওয়া হয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন। সকাল ১০টা হতে শিল্পী ভাস্কর্যে শ্রদ্ধা নিবেদন, আলোচনাসভা,সংগীতা অনুষ্ঠান সহ নানা অায়োজন করা হয়েছে।
আজও মানুষের কানে সেই বিনয় বাঁশীর ঢোল বাজে।
দেশীয় বাদ্যযন্ত্র ঢোলের সঙ্গে পরিচয় নেই এমন মানুষ হয়তো বাংলাদেশে খুঁজে পাওয়া যাবে না। এমন কি দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে উন্নত বিশ্বেও ঢোলের ব্যবহার চোখে পরার মতো। কিন্তু যে মানুষটি ঢোলকে বিদেশের মাটিতে পরিচিত করে তুলছেন, তাকে আমরা কয়জনই বা চিনি। তিনি হলেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত ঢোল বাদক বিনয়বাঁশী জলদাশ।১৯১১ সালে চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার পূর্ব গোমদণ্ডী গ্রামের এক জেলে পরিবারে জন্ম নেন ঢোল বাদক বিনয়বাঁশী জলদাশ। বাবা উপেন্দ্র লাল জলদাস ও মা সরবালা জলদাস। শৈশবে দারিদ্রের সঙ্গে যুদ্ধ করে বেড়ে উঠা এই শিল্পী লেখাপড়া বেশি দূর করতে পারেননি। স্থানীয় রামসুন্দর বসাকের বাল্যশিক্ষাই ছিলো তার সম্বল।প্রায় ৯১ বছরের জীবনে বিনয় বাঁশী জলদাশ বেশির ভাগ সময় পার করেছেন ঢোলের সঙ্গে। তিনিই প্রথম ব্যক্তি, যিনি বাংলার ঢোলকে বিদেশে পরিচিত করে তুলেন। উপমহাদেশের প্রখ্যাত কবিয়াল রমেশ শীলের সঙ্গে থেকেই তিনি ঢোলকে সকলের কাছে জনপ্রিয় করে তুলেন।ঢোলকে আর্ন্তজাতিক পরিচিতি এনে দেয়ার স্বীকৃতি হিসেবে বিনয়বাঁশী জলদাশ দেশে বিদেশ হতে অর্ধশতাধিক পুরস্কার লাভ করেছেন।তার মধ্যে ২০০১ সালে একুশে পদক সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য। কিন্তু মাত্র এক বছরের মাথায় ২০০২ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন। কয়েকমাস মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে ৫ এপ্রিল দিবাগত রাত দেড়টায় নিজ বাসভবনে পরলোক গমন করেন
সি-তাজ২৪.কম/এস.টি