সপ্তপর্ণার অসীমান্তিক কবি ও কবিতা এবং নিয়নি রায় বর্মনের আলোর দিশারী ২ এবং মণিকা বড়ুয়ার প্রবীণেরা গ্রন্হের প্রকাশনায় অনুষ্ঠান, গ্রন্হালোচনা,সম্মাননা অনুষ্ঠান, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও কবিতা পাঠ অনুষ্ঠান গতকাল ৭ আগষ্ট বিকেল ৫টায় আগরতলা প্রেসক্লাবের নৃপেন চক্রবর্তী জন্মশতবার্ষিকী হলে অনুষ্ঠিত হয়। বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড.মুজাহিদ রহমানের সভাপতিত্ব এতে প্রধান অতিথি ছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত শিক্ষাবিদ,গবেষক অধ্যাপক ড.বিকিরণ প্রসাদ বড়ুয়া।অনুষ্ঠানের উদ্ভোধন করেন ভারতের ত্রিপুরাস্হ বাংলাদেশ সরকারি হাই কমিশনের ১ম সচিব রেজাউল হক চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সপ্তপর্ণা সম্পাদক কবি সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ নিয়তি রায় বর্মন। আলোচক ছিলেন শিক্ষাবিদ ড.দেবব্রত দেবরায়, বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক ড.রবীন্দ্র কুমার দত্ত,কবি সনজিৎ বণিক। বিশেষ অতিথি ছিলেন আগরতলার বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ কবি মণিকা বড়ুয়া,বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ,শিক্ষানুরাগী রাশেদ মনোয়ার,দৈনিক সমকালের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার লায়ন সুজিত কুমার দাশ,চট্টগ্রাম সাহিত্য পাঠচক্রের সাধারণ সম্পাদক কবি ও সাংবাদিক আসিফ ইকবাল,সমাজসেবী রোজী দাশ,সঙ্গীতশিল্পী উৎপলা গোস্বামী, শিউলী দেব ভট্টাচার্য,স্বর্ণিমা রায়,বিথীকা দাশ,সুজাতা ভৌমিক,সুপর্ণা দেবনাথ, কবি অরুণিমা দাশ, শ্যামল কান্তি দে,মৌসুমী কর,সুধীন দাশগুপ্ত, প্রমুখ। সভার শুরুতে দুদেশের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশিত হয়।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কবি ও বাচিকশিল্পী নন্দিতা ভট্টাচার্য।
সভায় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন বাংলাদেশ ভারত সম্পর্ক সবসময় ভ্রাতৃত্ব ও সহযোগিতাপুর্ণ। এ ধারাবাহিকতা দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে রয়েছে। তিনি বলেন এপার ওপার বাংলার মানুষ হিসেবে আমরা সবসময় দুটিদেশের সাহিত্য সংস্কৃতি বাঙলা ধারণ ও লালন করি। তিনি বলেন বঙ্গবন্ধুর জন্মশকবার্ষিকীতে বঙ্গবন্ধু স্মরণে অসীমান্তিক কবি ও কবিতা গ্রন্হ বঙ্গবন্ধুর প্রতি সমগ্র ত্রিপুরাবাসীর একটি অনন্য সম্মান।বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শুধু বাংলাদেশের মহান নেতা হিসেবে নয় সারা পৃথিবীর এক চিরঞ্জীব ও অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে সকল প্রজন্মের কাছে যুগ যুগ চির স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি বঙ্গবন্ধুর মহান দেশপ্রেমের শিক্ষা সকল দেশের সকল প্রজন্মের কাছে ছড়িয়ে দেওয়ার আহবান জানান। বাংলাদেশ ও ত্রিপুরার মানুষরা দুটি দেশের অধিবাসী হলেও সাহিত্য – সংস্কৃতি বাংলা ভাষায় হওয়ায় আমাদের বন্ধন যুগ যুগ বহমান। বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির প্রচার প্রসারে বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গ,ত্রিপুরা,আসামের সকল বাংলা ভাষাভাসী মানুষ নিবিঢ়ভাব কাজ করে যাচ্ছে। সভা শেষে প্রধান অতিথি শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড.বিকিরণ প্রসাদ বড়ুয়াকে গুণীজন সংবর্ধনা ও অন্যান্য অতিথিদের সম্মাননা স্মারক,উত্তরীয় ও ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করা হয়। সভা শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও স্বরচিত কবিতা পাঠ অনুষ্ঠিত হয়।
সি-তাজ২৪.কম/এস.টি