G-VV5KW25M6F
Take a fresh look at your lifestyle.

মহাসড়কে ঈদুল আজহায় ৬ ধরনের অপরাধে সতর্ক থাকুন

0

পশুর হাট ও নগদ লেনদেনে বাড়তি নজরদারি
কোরবানির ঈদ সামনে এলেই দেশে মানুষের যাতায়াত, কেনাকাটা ও পশু বেচাকেনা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এই সময়কে কেন্দ্র করে সক্রিয় হয়ে ওঠে বিভিন্ন অপরাধীচক্রও। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, এবার ঈদকে সামনে রেখে ছিনতাই, ডাকাতি, চুরি, অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টি এবং জাল টাকার মতো অন্তত ছয় ধরনের অপরাধের ঝুঁকি বেড়েছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ, র্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো মাঠ পর্যায়ে বাড়তি তৎপরতা শুরু করেছে। রাজধানীসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নজরদারি, টহল এবং বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
ঈদে কোন ৬ ধরনের অপরাধ সবচেয়ে বেশি বাড়ে?
ছিনতাই ও পথে হামলা
ঈদের আগে নগদ অর্থ বহন, কেনাকাটা ও ভ্রমণ বাড়ায় ছিনতাইকারীরা সুযোগ নেয়। বাস টার্মিনাল, স্টেশন, বাজার ও ব্যস্ত সড়কগুলো বেশি ঝুঁকিতে থাকে।
মহাসড়কে ডাকাতি
বিশেষ করে রাতের যাত্রায় সংঘবদ্ধ চক্র গাড়ি থামিয়ে মালামাল লুট বা যাত্রীদের জিম্মি করার ঘটনা ঘটায়। পশুবাহী গাড়িও এখন তাদের লক্ষ্যবস্তু।
বাসাবাড়িতে চুরি
ঈদে অনেক পরিবার শহর ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে যাওয়ায় ফাঁকা বাসা টার্গেট করে চোরচক্র।
অজ্ঞান পার্টির প্রতারণা
দূরপাল্লার বাস, ট্রেন ও লঞ্চে অপরিচিত ব্যক্তির দেওয়া খাবার বা পানীয় গ্রহণ করে অনেক যাত্রী ক্ষতির শিকার হন।
মলম পার্টির তৎপরতা
গণপরিবহনে কৌশলে অচেতন করে টাকা-পয়সা ও মূল্যবান জিনিস হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ প্রতি ঈদেই বাড়ে।
জাল টাকার বিস্তার
পশুর হাট ও বড় অঙ্কের নগদ লেনদেনের সময় জাল নোট ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা বাড়ে বলে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
কোথায় বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা?
রাজধানীতে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন এবং গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও স্পর্শকাতর এলাকায় টহল বাড়ানো হয়েছে। পশুর হাট, বাস টার্মিনাল, লঞ্চঘাট, রেলস্টেশন ও শপিং এলাকা বিশেষ নজরদারির আওতায় থাকবে।
এ ছাড়া নগদ অর্থ পরিবহনে বিশেষ নিরাপত্তা সহায়তা, সিসিটিভি পর্যবেক্ষণ এবং সন্দেহভাজনদের ওপর বাড়তি নজরদারির ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
মহাসড়কে কোন এলাকাগুলো বেশি ঝুঁকিতে?
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পর্যবেক্ষণে কিছু মহাসড়ক অংশে ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি। বিশেষ করে রাতের যাত্রায় বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।
নিরাপদে ঈদযাত্রার জন্য করণীয়
যাত্রার সময় আগে থেকে পরিকল্পনা করুন
শেষ মুহূর্তের অতিরিক্ত ভিড় এড়িয়ে চলুন
অপরিচিত কারও খাবার বা পানীয় গ্রহণ করবেন না
নগদ অর্থ কম বহন করুন, সম্ভব হলে ডিজিটাল বা ক্যাশলেস লেনদেন ব্যবহার করুন
গাড়ির চালকের গতি ও শারীরিক অবস্থার দিকে নজর রাখুন
ট্রাক, পিকআপ বা ঝুঁকিপূর্ণ যানবাহনে ভ্রমণ এড়িয়ে চলুন
বাসা ফাঁকা রাখলে প্রতিবেশী বা নিরাপত্তাকর্মীকে জানান
ঈদ আনন্দের সময় হলেও অসতর্কতা বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। সচেতনতা, পরিকল্পিত যাত্রা এবং নিরাপদ লেনদেন—এই তিনটি বিষয় মেনে চললে ঈদের সময় অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি অনেকটাই কমানো সম্ভব।
/এস.টি

Leave A Reply

Your email address will not be published.