প্রভাস চক্রবর্ত্তী,বোয়ালখালী: বোয়ালখালী জৈষ্ঠ্যপুরা মুনিরের সুস্বাদু মালটা,চায়নাকমল্, থাইল্যান্ডের আম,ড্রাগন ফল,বার মাস ব্যাপি কুল,ও খেজুর,কাজী পেয়ারা, সহ নানা জাতের ফলদ গাছের বিপুল সমাহার, সোভা পাচ্ছে তার বাগানে। বোয়ালখালী প্রেসক্লাবে সাধারন সম্পাদক
ফারুক ইসলাম মানিক ভাইয়ের প্রস্তাবে আমরা দল বেঁধে করলডেঙ্গা পাহাড়ি এলকায় এতসুন্দর একটা জায়গায় একটা পরিবেশ বাঁধব বিভিন্ন ফলদ বাগান দেখতে গিয়েছি।
আমাদের সাথে ছিলেন চট্টগ্রাম বাংলা টিভির ব্যুরো প্রধান, বোয়ালখালী প্রেসক্লাবে সাবেক সভাপতি আমাদের অত্যন্ত আস্থা ভাজন চৌধুরী লোকমান ,সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, সিনিয়র সহসভাপতি এডভোকেট সেলিম চৌধুরীর,এমরান চৌধুরী,দলিল লেখক সমিতির সভাপতি লিটন ভাই, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রভাস চক্রবর্ত্তী,নাঈম উদ্দিন খোর্শেদ আলম, বাবলু,জিহাদ বাবলু প্রমুখ।
মুনির জানায় আমাদের মত সবাই এগিয়ে আসলে যেমন ফরমালিন মুক্ত ফল পাওয়া যাবে তেমনি দেশ অর্থনৈতক ভাবে উন্নতি হবে।
ড্রাগন ফল অত্যন্ত সুস্বাদু।আমরা সবাই ড্রাগন ফল খেয়েছি। পেয়ারা খেয়েছি।সবাই আনন্দ উপভোগ করেছি।
বর্তমানে আমাদের দেশে অনেক জনপ্রিয় ও সহজলভ্য একটি ফল হচ্ছে মালটা। এটি প্রায় সারা বছরই পাওয়া যায় এবং দামেও বেশ সস্তা। মালটা আমাদের দেশে এখন এতোটাই জনপ্রিয় যে পথে ঘাটেও এর জুস পাওয়া যায়। জনপ্রিয় এই ফলটির পুষ্টিগুণ সম্পর্কে আমরা হয়তো অনেকেই জানি না। মালটাতে আছে, ভিটামিন বি, ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ফসফরাস, এবং চর্বিমুক্ত ক্যালরি,। এগুলো ছাড়াও মালটাতে আর অনেক পুষ্টিগুণ রয়েছে।

মাল্টা ফলটি জাম্বুর এবং কমলা এই দুই ফলের শংকরায়নের মাধ্যমে উদ্ভাবন করা হয়েছে। ‘বারি মাল্টা ১ নামে একটি উন্নত মাল্টার জাত বাংলাদেশে উদ্ভাবিত হয়েছে এবং বাংলাদেশের পাহাড়ি এলাকাগুলোতে এর কিছু চাষ হচ্ছে। বাংলাদেশে এটি বেশ জনপ্রিয় ফল, তবে স্থানীয় উৎপাদন খুবই কম; বেশির ভাগই বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। উর্দু ভাষাতেও একে ‘মাল্টা’ বলা হয়।
এটি ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস মূহের সমৃদ্ধ উৎস। এটি ত্বকে সজীবতা বজায় রাখে এবং ত্বকের বলি রেখা প্রতিরোধ করে লাবণ্য ধরে রাখে। মালটা ইনফেকশন প্রতিরোধে সহায়তা করে। এটি প্রদাহ জনিত রোগ সারিয়ে তোলে।
এক গ্লাস মাল্টার জুসকে ভিটামিন সি এর সবচেয়ে কার্যকর উৎস বলে মনে করা হয়। এটাকে ভিটামিন সি ট্যাবলেট হিসেবেও গ্রহণ করা যায়।
মালটার ভিটামিন সি উপাদান আমাদের শরীরে ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। এটি আমাদের শরীরের কোলন ক্যান্সার ও ব্রেস্ট ক্যান্সারের অন্যতম সেল প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে।
উচ্চ মাত্রায় ওষুধ সেবনের সময় মালটার লো-কলেস্টরেল শরীরে ওষুধের পার্শ প্রতিক্রিয়া হতেরক্ষা করে।
এতে উপস্থিত পটাশিয়াম ইকেট্রোলাইট ব্যালেন্স বজায় রাখে এবং কার্ডিওভাস্কুলার সিস্টেম ভালো রাখতে সহায়তা করে।
মালটা পাকস্থলীকে সুস্থ রাখে। নিয়মিত কমলা খাওয়ার অভ্যাস পাকস্থলীর আলসার ও কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে সুরক্ষা দেবে। পাকস্থলীকে রাখবে সবল।
গবেষণায় জানা গিয়েছে যে, কমলাতে উপস্থিত লিমিণয়েড, মুখ,ত্বক, ফুসফুস, পাকস্থলী কোমল ও স্তন ক্যান্সারপ্রতিরোধে সহায়তা করে থাকে।
কমলাতে উপস্থিত বিটা ক্যারোটিন সেল ড্যামেজ প্রতিরোধে সহায়তা করে। এতে উপস্থিত ক্যালসিয়াম, যা দাঁত ও হাঁড়ের গঠনে সাহায্য করে।
প্রতিদিন একটি করে কমলা খাওয়ার অভ্যাস আপনার দৃষ্টিশক্তিকে ভাল রাখে। কারণ, কমলায় রয়েছে ভিটামিন এ, সি ও পটাসিয়াম। এ ভিটামিনগুলো আপনার দৃষ্টিশক্তির জন্য বেশ উপকারী।
এতে ম্যাগনেসিয়াম থাকার কারণে ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সহায়তা করে। এন্টি অক্সিডেন্ট থাকার কারণে ওজন কমাতেও সহায়তা করে।
সি-তাজ২৪.কম/এস.টি