মুহাম্মদ মিজান বিন তাহের
বাঁশখালী চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী উপজেলার সর্ব দক্ষিনে পুঁইছড়ি ইউনিয়ন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী জাকের হোসেন চৌধুরী বাচ্চু।

রাজনৈতিক জিবনে তিনি (১৯৯৫-২০০৪) ইং সাল পযর্ন্ত বাংলাদেশ কৃষকলীগ বাঁশখালী উপজেলার সাবেক সভাপতি, (২০১২-২০১৯)কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য,বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ চট্টগ্রাম বাকলিয়া থানা সিনিয়র সহ-সভাপতি (১৯৯৪-২০১৫), বাংলাদেশ ছাত্রলীগ নাপোড়া শেখেরখীল উচ্চ বিদ্যালয়ের (৭৭-৭৮) সালের সভাপতি,চট্টগ্রাম সরকারী কর্মাস কলেজ ছাত্রলীগের (১৯৮০-১৯৮২) সালে সহ-সভাপতি ও ঢাকা জগন্নাথ কলেজ ছাত্রলীগ (১৯৮৩-১৯৮৫) সালে পযর্ন্ত সহকারী সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন।
পারিবারিক জিবনে তার পিতা মরহুম সুজায়েত আলী চৌধুরী ছিলেন মুক্তিযোদ্ধের অন্যতম সংগঠক, তার বড় ভাই ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা যুদ্ধকালীন কর্মাস কলেজ ছাত্র সংসদের জিএস,৬০ দশকের তুখোড় ছাত্রনেতা জাহেদ হোসেন চৌধুরী মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করার কারনে পাক হানাদার বাহিনী ও রাজাকারেরা তাদের ঘর বাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্টান লুটপাট করে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়। তার মেজ ভাই তফাজ্জল হোসেন চৌধুরী পুতুমিয়া দীর্ঘ ত্রিশ বছর যাবৎ ইউপি সদস্য এবং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক আহবায়ক ছিলেন। 
তিনি পুঁইছড়ি ইউনিয়নের বিভিন্ন অঞ্চলে উন্নয়নমূলক কাজে অংশ নিয়েছেন নিয়মিত। বর্তমানে বাংলাদেশ কৃষকলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন জাকের হোসেন চৌধুরী বাচ্চু। তিনি বাঁশখালী উপজেলার সর্ব দক্ষিনে ১১ নং পুঁইছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী।
তিনি পূর্ব পুইছড়ি হযরত আবু বক্কর (রাঃ)হেফজুল কোরআন মাদ্রাসা ও এতিমখানার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি , পুইছড়ি ইজ্জতীয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য , নাপোড়া শেখেরখীল বিদ্যালয়ের শিক্ষানুরাগী সদস্য পুইছড়ি কামিল মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির সদস্য এছাড়াও আন্নার আলী চৌধুরী (বড় মিয়া) আল নূর জামে মসজিদ কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি এলাকার উন্নয়নে রাস্তাঘাট, ব্রিজ কালভার্ট, স্কুল, মসজিদ, মাদ্রাসার জন্য উন্নয়ন মূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন করিয়েছেন বলে দাবি করেন। তাই এলাকাবাসীর চাওয়া থেকেই তার নির্বাচন করার প্রত্যাশা।
এছাড়া দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়সহ বিভিন্ন বৈঠক করেছেন পুইছড়ি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে। করোনাভাইরাসের কারণে লকডাউন চলাকালীন এলাকার অসহায় দরিদ্র পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করাসহ প্রতিনিয়ত এলাকাবাসীর খোঁজখবর রেখেছেন।
বিভিন্ন গ্রামেগঞ্জে বৈঠক কালে এলাকাবাসীর উদ্দেশে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত আমি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নে অংশীদার হতে নৌকা প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে দীর্ঘদিনের অবহেলিত পুইছড়ি
ইউনিয়নকে একটি আধুনিক মডেল ইউনিয়নে রূপান্তরের চেষ্টা চালিয়ে যাব।
তিনি আরো বলেন, চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ইচ্ছে নিয়ে বিভিন্ন গ্রামের ঘরে ঘরে, পাড়ায় মহল্লায় গিয়ে জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় করছি। আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদের জন্য ভোট প্রার্থনা করছি। নির্বাচিত হলে মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত পুইছড়ি ইউনিয়ন উপহার দেব এলাকাবাসীকে।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে সুযোগ দিলে তিনি পুঁইছড়ি ইউনিয়নের প্রত্যন্ত জনপদ ও নির্বাচনী এলাকায় জনকল্যাণমূলক কাজে আরও ব্যাপকভাবে অংশগ্রহণ করতে পারব।
আমি আওয়ামীলীগ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী। আমি নির্বাচিত হলে সকলকে সাথে নিয়ে পরিকল্পিত ইউনিয়ন গড়ে তুলব এবং সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, মাদকমুক্ত সমাজ ও দুর্নীতিসহ সকল অপরাধ সমাজ থেকে দূর করবো ইনশাল্লাহ।