অনলাইন ডেস্ক: শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ফরেনসিক রিপোর্টে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। ঢাকার মিরপুরের পল্লবীতে আলোচিত এ ঘটনায় মৃত্যুর আগে শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়েছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া, হত্যার পর মরদেহ বিকৃত করার তথ্যও উঠে এসেছে।
রোববার (২৪ মে) ফরেনসিক রিপোর্ট পর্যালোচনার মাধ্যমে এ তথ্য জানা যায়। তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিলের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
এর আগে শনিবার (২৩ মে) পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তদন্ত কর্মকর্তার কাছে ডিএনএ রিপোর্ট হস্তান্তর করে। এ তথ্য একটি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন সিআইডির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।
এদিকে, মামলাটি রাষ্ট্রপক্ষে পরিচালনার জন্য আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলুকে বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করেছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ।
গত বুধবার (২০ মে) ঢাকার আদালতে শিশু রামিসা হত্যা মামলায় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই দিনে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।
জবানবন্দিতে সোহেল রানা উল্লেখ করেন, ঘটনার দিন সকালে তিনি রামিসাকে নিজের কক্ষে নিয়ে যান এবং সেখানে ঘটনাটি ঘটে। তার স্ত্রীও সে সময় কক্ষে উপস্থিত ছিলেন বলে জবানবন্দিতে বলা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, নিহত রামিসা রাজধানীর একটি স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা অভিযুক্তদের ফ্ল্যাটে গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করেন। ঘটনার পর অভিযুক্ত সোহেল রানা পালিয়ে গেলেও পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আরও পড়ুন:রামিসা হত্যা মামলা: চার্জশিট দাখিলের প্রস্তুতি
/এস.টি