G-VV5KW25M6F
Take a fresh look at your lifestyle.

হযরত মা ফাতেমা তুজ জোহরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা) এর ১৪৩৬তম ওফাত বার্ষিকী স্মরণে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

0

দি একাডেমি অব হিস্ট্রি বাংলাদেশ
( ইতিহাসের পাঠশালা) র উদ্যোগে বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)–এর প্রিয় কন্যা, জান্নাতের নারীদের সর্দার হযরত মা ফাতেমা তুজ জোহরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা) এর ১৪৩৬তম ওফাত বার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে।

এ উপলক্ষে ৩ রমজান, শনিবার সন্ধ্যায় এক দোয়া মাহফিল ও ‘জীবনকর্ম ও আদর্শ’ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
মাসিক আলোর পথ এর সম্পাদক মোহাম্মদ সোহেল তাজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইতিহাস গবেষক ও লেখক সোহেল মোঃ ফখরুদ-দীন ।

তাঁর প্রবন্ধে তিনি মা ফাতেমা (রা.) এর আধ্যাত্মিক মহিমা, ইবাদত-বন্দেগি, পারিবারিক জীবন, ত্যাগ-তিতিক্ষা এবং ইসলামের প্রারম্ভিক যুগে তাঁর অনন্য ভূমিকার বিশদ আলোচনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “হযরত মা ফাতেমা (রা.) ছিলেন নববী আদর্শের জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। তাঁর জীবন আমাদের জন্য ধৈর্য, সংযম, আত্মমর্যাদা ও আল্লাহভীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

আলোচনা পর্বে অংশগ্রহণ করেন আল্লামা রুমী সোসাইটির মহাসচিব ও বিশিষ্ট সুফীতত্ত্ব গবেষক, সুফিকবি আলহাজ্ব শাহজাদা সৈয়দ মুহাম্মদ সিরাজুদ্দৌল্লা; ইসলামী চিন্তাবিদ ও সুফিবাদী ঐক্য ফোরামের মহাসচিব মাস্টার আলহাজ্ব আবুল হোসাইন; লেখক-সংগঠক এম. নুরুল হুদা চৌধুরী; ব্যাংকার আবদুল্লাহ আল কাইয়ুম; সৈয়দ গোলাম নবী; তারিফ হোসেন; লেখক কবি আসিফ ইকবাল এবং মোদ্দাসসির হাসান প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, ইসলামের প্রচার ও প্রসারে এবং নারীসমাজের মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় হযরত মা ফাতেমা তুজ জোহরা (রা.)–এর অবদান চিরস্মরণীয়।

তিনি ছিলেন আদর্শ কন্যা, আদর্শ স্ত্রী ও আদর্শ মা—যাঁর জীবনাদর্শ যুগে যুগে নারীসমাজকে আত্মমর্যাদাশীল ও নৈতিকভাবে দৃঢ় হতে অনুপ্রাণিত করে।

পার্থিব প্রাচুর্যের মোহ ত্যাগ করে সরল-সংযমী জীবনযাপন, আল্লাহর সন্তুষ্টিকে সর্বাগ্রে স্থান দেওয়া এবং ন্যায়-সত্যের পক্ষে অবিচল থাকার যে শিক্ষা তিনি রেখে গেছেন, তা মুসলিম উম্মাহর জন্য অনুকরণীয় আদর্শ।

সভায় বক্তারা আরও বলেন, বর্তমান সময়ে নৈতিক অবক্ষয় ও পারিবারিক সংকটের প্রেক্ষাপটে মা ফাতেমা (রা.) এর জীবনাদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা অত্যন্ত জরুরি। তাঁর আত্মত্যাগ, ইবাদতের গভীরতা এবং মানবকল্যাণে নিবেদিত মনোভাব মুসলিম সমাজকে আত্মশুদ্ধি ও মানবিক মূল্যবোধ চর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে পারে।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করা হয়।
সভা সফল ও সার্থকভাবে সম্পন্ন হওয়ায় আয়োজকদের প্রতি উপস্থিত অতিথিরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও এমন আধ্যাত্মিক ও শিক্ষামূলক আয়োজন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

সিতাজ২৪.কম/এস.টি

Leave A Reply

Your email address will not be published.