চট্টগ্রাম সাহিত্য পাঠচক্রের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদী কন্ঠস্বর,সময়ের সাহসী সন্তান, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মৌলভী সৈয়দ এর ৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকীর স্মরণ সভা গত ১১ আগষ্ট রাতে ভার্চুয়ালী অনুষ্ঠিত হয়।এতে আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, সংগঠনের সভাপতি বাবুল কান্তি দাশ,বক্তব্য রাখেন ফটিকছড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগনেতা আবুল বাশার, দক্ষিণজেলা ছাত্রলীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক সালাউদ্দীন সাকিব, পটিয়া পৌরসভা যু্বলীগনেতা আলমগীর আলম, ছাত্রনেতা এম,মঞ্জুর আলম। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মোঃ আসিফ ইকবাল। সভায় কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগনেতা আমিনুল ইসলাম আমিন বলেন
বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রথম প্রতিবাদকারী রাজপথের নেতা মৌলভী সৈয়দ। আদর্শিক রাজনীতির বরপুত্র মৌলভী সৈয়দ ত্যাগ ও সেবায় ছিলেন ভাস্বর। ক্ষণজন্মা এই রাজনীতিবিদের জীবনে প্রত্যাশা ছিল না ভোগের। জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বিস্তরণে কাজ করেছেন নিরলসভাবে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নে সেদিন শহীদ মৌলভী ছৈয়দরা নিজের জীবন উৎসর্গ করে এদেশের মানুষের গণতন্ত্র ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নের পথ সৃষ্টি করে গেছেন।মৌলভী সৈয়দ রাজনীতিকে নিয়েছেন ব্রত হিসেবে। রাজনীতি থেকে কোনো সুবিধা ভোগের নিমিত্তে তিনি রাজনীতি করেননি।যার প্রেক্ষিতে তিনি নির্ব্বিঘ্নে দুটি যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন। একটি ‘৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং অন্যটি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের স্থপতি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যার প্রতিবাদ যুদ্ধ। মৌলভী সৈয়দ হচ্ছেন ত্যাগ এবং আদর্শের রাজনীতিকদের।যারা রাজনীতিকে পণ্য হিসেবে মনে করেন তাদের জন্য মৌলভী সৈয়দ নয়। জননেতা মফিজুর রহমান বলেন মৃত্যুঞ্জয়ী বীর শহীদ মৌলভী ছৈয়দ আহমদের আত্নত্যাগ ও দেশপ্রেম প্রজন্মের কাছে সবসময় অনুকরণীয়। এই দেশপ্রেমিক শহীদকে মরোণত্তর মহান স্বাধীনতা পদকে ভুষিত করার দাবীকে যথাযথ বলে তিনি দাবী করেন।
সি-তাজ২৪.কম/এস.টি