G-VV5KW25M6F
Take a fresh look at your lifestyle.

বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসনে সব করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

0

বন্যা দুর্গতদের দুর্ভোগ লাঘবে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। এমন তথ্য জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার (১৯ জুন) সকালে ‘সাফ চ্যাম্পিয়ন ২০২১ বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী জাতীয় ফুটবল দল’-এর সংবর্ধনা ও আর্থিক সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে এ কথা জানান তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, এবছর বন্যায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল আক্রান্ত হয়েছে। সরকার দুর্যোগ মোকাবেলার সকল ধরনের প্রস্ততি নিয়েছে। বন্যার পানি নামা শুরু করেছে। খুব শিগগরই পরিস্তিতি স্বাভাবিক হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, এখন একটি অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। একদিকে করোনার প্রাদুর্ভাব বাড়ছে, অপরদিকে বর্ষাকাল আসতে না আসতেই সিলেট-সুনামগঞ্জে ব্যাপক বন্যা। বন্যা পরিস্থিতির খবর রাখছেন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ত্রাণ এবং উদ্ধারকাজ চলছে। প্রশাসন, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী দুর্গতদের উদ্ধার এবং তাদের ত্রাণ দেয়ার ব্যবস্থা করছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সুনামগঞ্জ থেকে আজ পানি নামতে শুরু করেছে। কিন্তু এই পানি যখন নামবে, তখন আমাদের অন্যান্য অঞ্চল প্লাবিত হতে শুরু করবে-এটাই প্রাকৃতিক নিয়ম। কাজেই ময়মনসিংহ এবং রংপুর বিভাগে এখনও বন্যার সম্ভাবনা রয়েছে।

বন্যার কারণে এসএসসি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে বন্যার কারণে এসএসসি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তীতে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। আর এটা প্রকৃতির খেলা, এটা নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। দুর্যোগ মোকাবিলা করতে হবে, সেইসঙ্গে মানুষের জীবনও চালাতে হবে।

‘সাফ চ্যাম্পিয়ন ২০২১ বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী জাতীয় ফুটবল দল’-এর সংবর্ধনা ও আর্থিক সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান
‘সাফ চ্যাম্পিয়ন ২০২১ বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী জাতীয় ফুটবল দল’-এর সংবর্ধনা ও আর্থিক সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান
বন্যা আমাদের চিরাচরিত মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, ১০ থেকে ১২ বছর পর এত বড় বন্যা বাংলাদেশে আসে সবসময়। সবাইকে অনেক আগে থেকেই সতর্ক করা হয়েছিলো। এবারের বন্যাটা কিন্তু বিরাট আকারে আসবে। আমাদের প্রস্তুতি আছে। এই পানি নামলে শ্রাবণ থেকে ভাদ্র পর্যন্ত দক্ষিণাঞ্চল প্লাবিত হবে। এই সময়ে মানুষের যেন কষ্ট না হয়, আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছি।

পদ্মা সেতু উদ্বোধনের বিষয়ে সরকার প্রধান বলেন, ৯৮ সালে দেশে সবচেয়ে ভয়াবহ এবং দীর্ঘস্থায়ী বন্যা হয়েছিল। সেই বন্যা শুরুর আগেই কিন্তু যমুনা নদীর ওপর বঙ্গবন্ধু সেতু উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন করার ফলে তখন উত্তরবঙ্গে পণ্য পরিবহনসহ সব কাজগুলো করতে সুবিধা হয়েছিলো।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বন্যার কারণে তখন অনেক আন্তর্জাতিক সংস্থা বলেছিল, বন্যায় দুই কোটি মানুষ না খেয়ে মারা যাবে। তখন একজন মানুষও না খেয়ে মারা যাবে না বলে অঙ্গীকার করে সরকার। শেখ হাসিনা বলেন, সেতু উদ্বোধন করায় আমাদের বন্যা মোকাবিলা করা অনেক সহজ হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২৫ তারিখ পদ্মা সেতু উদ্বোধন করব ইনশাল্লাহ। আমি মনে করি এটা আল্লাহর আশীর্বাদ হবে। কারণ আমরা দক্ষিণ অঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগটা অব্যাহত রাখতে পারব। পণ্য পরিবহন, বন্যা মোকাবিলা, বন্যার সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, তাদের সহযোগিতা করার একটি বিরাট সুযোগ আমাদের আসবে।

সি-তাজ২৪.কম/এস.টি

Leave A Reply

Your email address will not be published.